মৃত সালমা আক্তার উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরজব্বার গ্রামের মমিন উল্যার মেয়ে। সে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
পুলিশ ও সালমার পরিবার সূত্রে জানা যায়, ছোটবেলায় সালমার মা মারা যায়। এরপর থেকে একই গ্রামের খালার বাড়িতে থাকত সালমা। ঈদের দিন গায়ে জ্বর আসায় ওষুধ মনে করে ভুলবশত কীটনাশক খেয়ে ফেলে সে। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তিন দিন চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাকে ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেন।
.png)
সালমার চাচা আবদুর রব বলেন, সালমা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। কোনো কিছুই ঠিক মতো করতে পারতো না। ঈদ উপলক্ষে তাকে আমার বাড়িতে নিয়ে আসি। ঈদের দিন সকালে গায়ে জ্বর আসায় দুপুরে খালার বাড়িতে চলে যায় সালমা। খালার বাসায় ওষুধ মনে করে ভুলে কীটনাশক পান করে সালমা। চিকিৎসকের পরামর্শে ভোরে চট্টগ্রাম নেওয়ার পথে সালমা মারা যায়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
চরজব্বার থানার ওসি দেবপ্রিয় দাশ বলেন, খবর পেয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যার নোয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ না দেওয়ায় লাশ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।