দণ্ডিত শহিদ উল্লাহ একজন রোহিঙ্গা। রামুর ঈদগড়ের ছগিরকাটায় গহীন অরণ্য থেকে তাকে আটক করা হয়েছিল।
কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট জিয়া উদ্দিন আহমদ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট ঈদগড়ের গহীন অরণ্যে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে যায় রামু থানা পুলিশ। অভিযানে একটি দেশীয় তৈরি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ মো. শহিদ উল্লাহকে আটক করে পুলিশ। পরে রামু থানার এএসআই ওমর ফারুক বাদী হয়ে ঐ দিনই মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই দিদারুল ফেরদৌস শহিদ উল্লাহকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন। মামলাটি বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৩ নম্বর আদালতে পাঠানো হলে বিচারক আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন।
সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর আরো জানান, মামলায় মো. শহিদ উল্লাহকে বিচারক ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেন।