মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার দলার দর্গা মেমোরিয়াল হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রোকেয়া খাতুন দিনাজপুরে ফুলবাড়ীর কৃষ্ণপুর গ্রামের সিরাজের মেয়ে। তিনি দলার দর্গা মেমোরিয়াল হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আক্তারুজ্জামান আক্তার জানান, বিকেলে খবর আসে উপজেলার দলার দর্গা মেমোরিয়াল হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় এক চিকিৎসক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
.png)
তিনি আরো বলেন, তারা স্বামী-স্ত্রী দুজনই চিকিৎসক। রোকেয়া বেগম ওই হাসপাতালের কোয়ার্টারে থাকতেন এবং তার স্বামী চিকিৎসক আরিফুজ্জামান আরিফ চিরিরবন্দরে কর্মরত। তার স্বামী সোমবার চিরিরবন্দর থেকে আসেন। রাতে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হলে রোকেয়া বেগম মঙ্গলবার বিকেলে তার কক্ষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে জানা যাবে, এটা আত্মহত্যা নাকি হত্যা।