শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে এসব ইলিশ বিক্রি করা হয়।
বিসমিল্লাহ ফিশিং বোটের মালিক এবং প্রধান মাঝি গোলাম কিবরিয়া বলেন, সমুদ্র সংকেতের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় তীরে আসা যায়নি সময়মত। অনেক টাকা দেনা করে সমুদ্রে যাওয়ার কারণে ঐ সময় তীরে ফিরলে ঋণ শোধ করা যেত না। এজন্য সাগরে মাছ ধরতে থেকে যাই। ২৩ জন মাঝি সাতদিন সমুদ্রে মাছ ধরেছি। এত মাছ ধরার কথা কল্পনাও করিনি। সব মাছ মেঘনা ফিশিং এ বিক্রি করেছি। দামও ভালো পেয়েছি।
.png)
মেঘনা ফিশিং এর ম্যানেজার মো. হাবিব ভূঁইয়া বলেন, ট্রলারটি সকালে চেয়ারম্যান ঘাটে ফেরে। বিভিন্ন আকারের মাছ ছিল। ৬০ মণ ইলিশের দাম হয়েছে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।