বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শহরের মল্লিকহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাওন মল্লিকহাটি মহল্লার দিলু মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত আলিফ হোসেন একই মহল্লার বাবুর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে জমিতে ঘাস কেটে মল্লিকহাটি মোড়ে হোটেলে নাস্তা করতে আসেন শাওন। সেখানে বন্ধু আলিফের সঙ্গে তার দেখা হয়। এ সময় আলিফের কাছে পাওনা ৫০০ টাকা ফেরত চান তিনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শাওনের ঘাস কাটার হাঁসুয়া কেড়ে নিয়েই উরুর ওপর একাধিক কোপ দেন আলিফ। এতে গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শাওন।
.png)
পরে তাকে উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নেন আশপাশের লোকজন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় শাওনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকরা। সেখানে নেয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
স্থানীয়রা জানায়, আলিফ ও শাওন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আলিফ পেশায় টাইলস মিস্ত্রি ও শাওন রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। তারা বেশিরভাগ সময় একসঙ্গে থাকতেন। দুই সন্তানের জনক শাওন এভাবে বন্ধুর হাঁসুয়ার কোপে নিহত হওয়ায় এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নাটোর থানার ওসি মো. নাছিম আহমেদ বলেন, ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন আলিফ। তাকে ধরতে চেষ্টা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় নাটোর থানায় মামলা করা হয়েছে।