ইউএনও মোছা. উম্মে কুলসুম সম্পা এসব তথ্য নিশ্চিত করে ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ফরহাদ হোসেন অবৈধভাবে টিএসপি, ডিএপি ও পটাশ সার মজুত করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেসার্স জাকির ভাণ্ডার নামের প্রতিষ্ঠানের গুদামে অভিযান চালিয়ে ৭৪০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে সার রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে ফরহাদ জানান- তার সার বেচাকেনার লাইসেন্স নেই।
তিনি আরো বলেন, অবৈধভাবে মজুত রাখা সার উদ্ধারের পরপর সেগুলো কৃষকদের মাঝে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
.png)