শনিবার সকাল ৮টার দিকে কুষ্টিয়ার হরিশংকরপুর ধোপাপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত সুমি খাতুন কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এস্টেট এলাকায় সি ব্লকের সাপ্পী ইসলামের স্ত্রী। ১২ বছর আগে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার দহকুলা গ্রামের সুমির সঙ্গে সাপ্পীর বিয়ে হয়। তাদের ৮ বছর বয়সী এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।
জানা যায়, স্বামীর সঙ্গে সুমির প্রায়ই ঝগড়া হতো। আজ সকালেও পারিবারিক কলহের জেরে সুমি তার ৫ বছর বয়সী মেয়ে সুরভিকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুটির বাম হাত কনুইয়ের নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া মা ও শিশুটির শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর জখম হয়েছে। স্থানীয়রা মা-মেয়েকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, শিশুটির বিচ্ছিন্ন হওয়া বাম হাতের ক্ষত স্থানসহ বিভিন্ন জায়গায় ব্যান্ডেজ করা হয়েছে। মায়েরও হাত-পা, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যান্ডেজ করা হয়েছে। তারা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল।
.png)
পোড়াদহ রেলওয়ে থানার ওসি মো. মনজের আলী জানান, সকাল ৮টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের হরিশংকরপুর এলাকায় ফরিদপুর থেকে ছেড়ে আসা দর্শনাগামী মালবাহী ট্রেনটি যাওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।