সমীর কুমার শহরের কাপুড়িয়াপট্টি এলাকার তারেকেশ্বর কুন্ডুর ছেলে। তিনি নাটের সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অধীনে সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক হিসেবে হালসা ইউনিয়ন কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।
নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে কর্মরত স্টেশন মাস্টার রেজাউল করিম জানান, শনিবার সকালে তিতুমীর ট্রেন প্লাটফরম ছেড়ে যাওয়ার পরে ১ নম্বর লাইনে উপস্থিত লোকজন শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন একটি মরদেহ দেখতে পায়। পরে নাটোর ফায়ার সার্ভিস ও সান্তাহার রেলওয়ে থানায় খবর দেয়া হয়। পরে লাশ উদ্ধার করে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তবে ধারণা করা হচ্ছে সমীর আত্মহত্যা করেছেন।
.png)
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, সমীর শনিবার সকালে ছেলেকে কোচিং ক্লাস করাতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরপর পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারেন ট্রেনের কাটা পড়ে মারা গেছেন তিনি।
নাটোর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার অশোক চক্রবর্তী বলেন, আমরা এক সঙ্গে ফুটবল খেলতাম। সমীর কুন্ডু ভালো ব্যাডমিন্টনও খেলতেন। করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন সমীর। সুস্থ হওয়ার পর সম্প্রতি তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তিনি নিয়মিত অফিস করেন এবং স্বাভাবিকভাবেই চলাচল করতেন।
সান্তাহার থেকে রেলওয়ে থানার ওসি শফিউল আযম জানান, লাশ ময়নাতদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।