ভুক্তভোগী আব্দুল হাসিম উপজেলার পাড়ুয়া মাঝপাড়া গ্রামের মৃত রোশন আলীর ছেলে।
অভিযুক্তরা হলেন, কোম্পানীগঞ্জের কালসাদক গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে ফয়জুর রহমান, তৈয়বুর রহমান, মুজিবুর রহমান, একই গ্রামের মৃত বতু মিয়ার ছেলে রহমত আলী, আরিফ, মৃত রেনু মিয়ার ছেলে আব্দুর, লাল মিয়ার ছেলে হোছন। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
.png)
মামলার অভিযোগে আব্দুল হাসিম উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা তার পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দা। তাদের রাখালের কাছ থেকে গত রোববার একটি মোবাইল ক্রয় করেন আব্দুল হাসিমের ভাতিজা সাকিব। পরদিন সোমবার মোবাইল ক্রয় করার কারণে সাকিবকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন অভিযুক্তরা। এ ঘটনায় স্থানীয় মুরব্বিদের কাছে অভিযোগ দেন আব্দুল হাসিম।
এরই প্রেক্ষিতে পরদিন মঙ্গলবার সকালে প্রথম দফায় হাসিমের বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর করে গালিগালাজ করেন অভিযুক্তরা। পরে এদিন দুপুর ২টার দিকে ফের বাড়িতে গিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান তারা। প্রতিপক্ষের হামলায় আব্দুল হাসিমসহ ৭ থেকে ৮ জন আহত হন। অভিযুক্তরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে অন্তত ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি সুকান্ত চক্রবর্তী জানান, মোবাইল ক্রয়ের ঘটনায় মারামারির পর দুই পক্ষই থানায় অভিযোগ দিয়েছে। এখন সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে। সমাধান না হলে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে।