বৃহস্পতিবার খুলনা নারী ও নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আ. সালাম খান আসামি রফিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ফরিদ আহমেদ।
.png)
তিনি বলেন, আসামি রফিকুল ইসলাম ও ভিকটিম নগরীর ছোট বয়রা গোলদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও প্রতিবেশী। ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই নারীকে আসামি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২০০৯ সালের ২৬ আগস্ট থেকে একই বছরের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণ করে। ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে আসামিকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। কিন্তু ভিকটিমকে বিয়ে না করে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতে থাকেন আসামি। পরে রফিকুল ইসলাম ঢালীকে আসামি করে সোনাডাঙ্গা থানায় ধর্ষণ মামলা করেন ভিকটিম। সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশে উপ-পরিদর্শক মুনসুর শফিকুল ইসলাম ২০১০ সালের ২৬ জানুয়ারি রফিকুলকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
তিনি আরো বলেন, রায়ে সন্তুষ্ট। ধর্ষণের ফলে যে সন্তান জন্ম নিয়েছে, তার বয়স হয়েছে ১২ বছর। এ রায়ের মাধ্যমে ওই সন্তান পিতৃ পরিচয় পেয়েছে। এটা তার জন্য বড় প্রাপ্তি।