এদিকে, স্বামীর পরিবার বলছে, আত্মহত্যা করেছেন ছালমা আক্তার। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, যৌতুক না পেয়ে স্বামীর নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে।
রোববার সকালে উপজেলার খিলা ইউনিয়নের খিলা বড়বাড়ী স্বামীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ছালমা আক্তার ওই এলাকার মৃত আবদুল ওহাবের ছেলে শামীম হোসেন সোহাগের স্ত্রী ও চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার রগুরামপুর গ্রামের মৃত আবুল হাশেম খন্দকারের মেয়ে।
.png)
নিহতের মা মমতাজ বেগম জানান, ছয় বছর আগে সোহাগের সঙ্গে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ছালমাকে নানাভাবে অত্যাচার করতেন সোহাগ। বিয়ের কয়েক মাস পর জানতে পারেন সোহাগের বিরুদ্ধে একটি মামলাও রয়েছে। তার মামলা শেষ করার জন্য ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন সোহাগ। সময়মতো টাকা না দিলে মেয়েকে গলা টিপে হত্যা করবে বলে হুমকিও দেন সোহাগ।
তিনি আরো বলেন, শনিবার রাতে এসব বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সোহাগ আমার মেয়েকে গলা টিপে হত্যা করেন। আমি এর বিচার চাই।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মনোহরগঞ্জ থানার ওসি সফিউল আলম। তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন নিহতের মা মমতাজ বেগম। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে শামীম হোসেন সোহাগকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।