ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের অগ্রভাগ ভোলার উপকূলে আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রাম-মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, ভোলার দুর্গম এলাকা চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচরে জোয়ারের পানিতে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। কয়েকটি বাধ নিয়ে শঙ্কায় আছেন স্থানীয়রা। অতি জোয়ারের পানিতে ঢালচরে ৪ থেকে ৫ ফুট পানিতে প্লাবিত হয়ে ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
.png)
এছাড়াও মনপুরার কলাতলী চর, চর নিজামসহ দুর্গম চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে আনার কাজ করছে প্রশাসন।
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং রাতে বাংলাদেশের মধ্যভাগে আঘাত হেনে শেষ হবে ভারতের গোহাটিতে। অবশ্য এর আগে লঘুচাপ ও নিম্নচাপরূপে এটি শক্তিসঞ্চয় করে ৩ দিন। তবে ঘুর্ণিঝড় হবার পরপরই এটি উল্টোপথে দ্রুত যাত্রা করে।
এ কারণে শক্তি কমে আসে। সিত্রাংকে মাঝারি ক্ষমতার ঘূর্নিঝড় বলা হচ্ছে, যা উপকূলে আসতে ৮০ ঘন্টায় পাড়ি দেয় এক হাজার ৩৫০ কিলোমিটার সমুদ্রপথ।