শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রভাকরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আনিস পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
আহতরা হলেন- মোহাম্মদ আলীর ছেলে আসলাম ও মনছের, আমিরের ছেলে নাহিদ, মোসলেম, মোসলেমের ছেলে বদুসহ অন্তত ৮ জন।
.png)
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রভাকরপাড়া গ্রামের আয়নাল হক ও আনিসুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ সেই জায়গা নিজের দাবি করে আনিসুর রহমান শুক্রবার সকালে সীমানা প্রাচীর দেওয়ার সময় আয়নাল হক ও তার স্বজনরা বাধা দেয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন আনিসুর রহমানকে মাথায় শাবল দিয়ে আঘাত করলে জখম হন। পরে তাকেসহ অন্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক আনিসুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করে পুলিশ। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, আনিছুর রহমানের সঙ্গে তার প্রতিপক্ষ লোকজনের জমিজমা নিয়ে অনেক বার সালিশ বৈঠক হলেও তাদের দ্বন্দ্ব নিরসন করা যায়নি।
শুক্রবার বিকেলে চাটমোহর থানা ওসি জালাল উদ্দিন জানান, খবর পাওয়ার পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারলে হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।