দুই হাজার ৫৯৭ শিক্ষার্থীর মধ্যে যশোর জেলায় বৃত্তি পেয়েছেন ৪৮৭ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৫৭ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৪৩০ জন। খুলনায় ৪১৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩৩ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৩৮৬ জন রয়েছেন। ঝিনাইদহে বৃত্তি পেয়েছেন ২৩১ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ২৩ ও সাধারণ গ্রেডে ২০৪ জন। মাগুরায় বৃত্তি পেয়েছেন ১৭০ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৭ জন ও সাধারণ গ্রেডে ১৫৩ জন।
কুষ্টিয়ায় বৃত্তি পেয়েছেন ৩৯০ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩৫ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৩৫৫ জন। নড়াইলে বৃত্তি পেয়েছেন ১২৮ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৫ জন ও সাধারণ গ্রেডে ১২৩ জন। সাতক্ষীরায় বৃত্তি পেয়েছেন ২৬৭ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৩ জন ও সাধারণ গ্রেডে ২৫৪ জন। চুয়াডাঙ্গায় বৃত্তি পেয়েছেন ১৭৪ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৬ জন ও সাধারণ গ্রেডে ১৬৮ জন।
.png)
বাগেরহাটে বৃত্তি পেয়েছেন ২৩৭ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৫ জন ও সাধারণ গ্রেডে ২৩২ জন। মেহেরপুরে বৃত্তি পেয়েছেন ১০৮ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৪ জন ও সাধারণ গ্রেডে ১০৪ জন।
বোর্ডের প্রকাশিত বৃত্তির ফলের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃত্তির গেজেটে শিক্ষার্থীরা যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন সেই প্রতিষ্ঠানের নাম, প্রতিষ্ঠান প্রধানের সার্টিফিকেট প্রদান সাপেক্ষে ভর্তিকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা উত্তোলন করবে। শিক্ষার্থীদের সৎস্বভাব ও লেখাপড়ার অগ্রগতির সন্তোষজনক শর্তে হতে হবে।
চিঠিতে আরো বলা হয়, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী কলেজে বিনা বেতনে লেখাপড়া করতে পারবে। তার কাছ থেকে ওই প্রতিষ্ঠান কোনো টাকা দাবি করতে পারবে না। আর টাকা দাবি করলে ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।