গ্রামবাসী সূত্রে জান গেছে, কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের নড়াইল গ্রামে রোববার দুপুর ১২টায় হঠাৎ করে ইসরাফিল খানের ঘরের মধ্যে দাউ দাউ জ্বলে ওঠে আগুন। স্থানীয় লোকজন এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর ইবাদত খান ও শওকত খানের বাড়িতে আবার আগুন জ্বলে ওঠে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
সোমবার দুপুর ও সন্ধ্যায় কাশেম খান, ইমরান খান, রফিক খান, জাহিদ খানের বাড়িতে আবারো জ্বলে ওঠে আগুন। গ্রামবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনার পর ঐদিন সন্ধ্যায় গ্রামবাসীর উদ্যোগে খিচুড়ি রান্না করে বিতরণ ও দোয়ার ব্যবস্থা করা হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত জৈনক হুজুর দাবি করেন, ১১টি জিন বেঁধে রাখা আছে তাই ঘটনাগুলো ঘটছে।
.png)
ঐ গ্রামের কয়েকজন দাবি করেন, এটা কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটা জিনের কাজ হবে। তাই আমরা তোবারক রান্না করে বিতরণ করে দোয়া ও তদবির করে আগুনের হাত থেকে বাঁচতে চাই।
কাশিয়ানী উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার ওসমান খান বলেন, আমার বাড়িতে কাকতালীয় আগুনের ঘটনাটি শুনে বাড়িতে যাই। পরে পাড়ায় সাতটি বাড়িতে আগুনের ঘটনা দেখতে পাই। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। গ্রামের প্রতিটি বাড়িতেই আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘুমহীন দিন ও রাত পার করছে গ্রামবাসী। তবে এখন পর্যন্ত আগুনের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি।