বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কক্সবাজার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ভোলা চরফ্যাশন উপজেলার দৌলতপুরের সোবাহান হাওলাদারের ছেলে মোহাম্মদ আলী, মিয়ানমারের মংডুর হাসুরাতা এলাকার আবুল বশরের ছেলে হাফিজ উল্লাহ, আকিয়াবের নজু মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ জামিল এবং মংডুর নারির বিল এলাকার হোসেনের ছেলে বদি আলম। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আসামিদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন- অ্যাডভোকেট সাঈদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী এবং মইনুল আমিন।
.png)
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন- পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম। তিনি জানান, ২০১৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর টেকনাফ দক্ষিণ লম্বরী ঘাট থেকে আট লাখ ইয়াবা উদ্ধার করে র্যাব-৭। এ ঘটনার পরের দিন চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
এ মামলায় ২০১৮ সালের ১৮ আগস্ট অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মনজুরুল হক। ২০১৯ সালের ৯ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চার আসামির সাজা দেন আদালত।