উদ্ধারকাজ স্থগিত, ফের শুরু রোববার
শনিবার রাত আটটার পর স্থগিত করা হয়েছে সীতাকুণ্ডের সীমা রি-রোলিং মিলের অক্সিজেন প্ল্যান্টের উদ্ধারকাজ। রোববার সকাল থেকে আবারো উদ্ধারকাজ চালানো হবে বলে জানিয়েছেন আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আবদুল মালেক।
শনিবার রাতে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা দুর্ঘটনাস্থলে অনেক সিলিন্ডার দেখেছি। অনেক সময় সিলিন্ডারগুলো পরীক্ষা করা হয় না। বিস্ফোরণের অনেক কারণ থাকতে পারে। তদন্তে তা বোঝা যাবে। তবে সিলিন্ডার থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে আমরা মনে করছি। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। কমিটির সঙ্গে মিলে দুর্ঘটনার কারণ বের করার চেষ্টা করবে ফায়ার সার্ভিস।
এর আগে, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে এ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে এখন পর্যন্ত ছয়জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দগ্ধ হয়েছেন আরো অন্তত ৪৫ জন। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
.png)
নিহতরা হলেন- সীতাকুণ্ড উপজেলার কদমরসুল এলাকার শামসুল আলম, ফৌজদারহাট বাংলাবাজার এলাকার মো. ফরিদ, ফটিকছড়ি উপজেলার মো. সেলিম, নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার ছোট মনগড়া গ্রামের মিকি রেঙি লখরেটের ছেলে রতন লখরেট, নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার অলিপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে আবদুল কাদের ও লক্ষ্মীপুরের মো. সালাউদ্দিন।
আহতদের মধ্যে ৯ জন হলেন- মো. নূর হোসেন, মো. আরাফাত, মোতালেব, ফেনসি, মো. জসিম উদ্দিন, নারায়ণ, মো. ফোরকান, শাহরিয়ার, মো. জাহিদ হাসান।
সীতাকুণ্ডের কদমরসুল এলাকায় সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্টটি অবস্থিত। এ প্ল্যান্টে সিলিন্ডারে গ্যাস ভরে তা বিক্রি করা হতো। সেখানে অর্ধশত শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োজিত ছিলেন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গ্যাস ভরার সময় প্ল্যান্টে বিকট শব্দে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে লেগে যায় আগুন। এ সময় প্ল্যান্টের ভেতরে থাকা শ্রমিক-কর্মচারীর কারো কারো শরীরের বিভিন্ন অংশ উড়ে যায়।