সোমবার সকালে জয়দেবপুর জংশন পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানান। নিহত সীমা বেগম গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার উত্তর হরিপুর এলাকার দোলোয়ার হোসেনের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামীর নাম মাইদুল ইসলাম। তিনি রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার সোনাতল চিলমারিটারি এলাকার ফজরুল হকের ছেলে। সীমা বেগম মাইদুলের দ্বিতীয় স্ত্রী।
এসআই শহিদুল ইসলাম জানান, সীমা বেগম গাজীপুর মহানগরের চাপুলিয়া এলাকায় জনৈক সিরাজের বাড়িতে ভাড়া থেকে একটি মেসে রান্নার কাজ করতেন। স্বামীর ফোন পেয়ে রোববার রাত ৭টার দিকে ভাড়াবাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি তিনি। সোমবার সকালে পার্শ্ববর্তী ভূরুলিয়া এলাকার ঢাকা-রাজশাহী রেল রুটে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহিদ তাজাউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
.png)
শহিদুল ইসলাম আরো জানান, রেললাইনের মাঝখানে তাকে শুইয়ে রাখা হয়েছিল। তার ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচল করলেও ট্রেনে তার শরীর কাটা পড়েনি। তবে শরীরের বিভিন্নস্থানে ১৫ থেকে ১৬টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ হত্যাকাণ্ডে স্বামীর সঙ্গে আরো কেউ জড়িত রয়েছেন। অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। নিহতের মেয়ে জাফরিন বাদী হয়ে ঢাকার (কমলাপুর) জিআরপি থানায় মামলা দায়ের করেছেন।