সোমবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে সেন্টমার্টিন জেটিঘাট থেকে টেকনাফের উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজগুলো। কিন্তু ঝোড়ো হাওয়ার কারণে ৫ মিনিট পর জাহাজগুলো ঘুরিয়ে আবার সেন্টমার্টিন জেটিঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে গতকাল রোববার দ্বীপটিতে আটকে পড়া প্রায় দেড় হাজার পর্যটক জাহাজগুলোতে ছিলেন।
জানা যায়, ঝড়ের আশঙ্কায় গতকাল রোববার (১৯ মার্চ) সকালে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিলো। এতে সেন্টমার্টিনে আটকে পড়েন প্রায় দেড় হাজার পর্যটক। একদিন পর সোমবার সকালে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হলে টেকনাফের দমদমিয়ার বিআইডব্লিউটিএ জেটিঘাট থেকে কেয়ারি সিন্দাবাদ, এমভি রাজহংস ও এমভি বার আউলিয়া নামের তিনটি জাহাজকে সেন্টমার্টিনে পর্যটক নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয় স্থানীয় প্রশাসন। প্রায় ২৫০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ তিনটি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সেন্টমার্টিন জেটিঘাটে গিয়ে পৌঁছায়। আগের দিন আটকে পড়া পর্যটকদের নিয়ে দুপুর তিনটায় জাহাজ তিনটি টেকনাফের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলো।
.png)
নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের টেকনাফের ট্রাফিক সুপারভাইজার জহির উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থেই তিনটি জাহাজকে ফিরে যেতে বলা হয়। আবহাওয়া বিবেচনায় জাহাজ চালানোর অনুমতি পাওয়া গেলে মাইকিং করে সব পর্যটককে নিয়ে আসা হবে। সকালে যেসব পর্যটক গেছেন, তাদেরও ফিরতে হবে।
টেকনাফ উপজেলা ইউএনও মো. কামরুজ্জামান বলেন, ঝোড়ো বাতাসের কারণে সাগর খুবই উত্তাল থাকায় তিনটি জাহাজকে সেন্টমার্টিনে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সন্ধ্যার আগে আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে সেগুলোকে আবার ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হবে। অন্যথায় পর্যটকদের দ্বীপে অবস্থান করতে হবে।