ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

টেকনাফে ১৭ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সক্রিয় 

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:২০, ২২ মার্চ ২০২৩
টেকনাফে ১৭ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সক্রিয় 
ফাইল ফটো

কক্সবাজারে ১৭টি রোহিঙ্গা সশস্ত্রসন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে ১৩ লাখ রোহিঙ্গা। এছাড়া আড়াইশ’ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দেশি বিদেশি ৩ হাজার ভারি অস্ত্র বহন করছে বলে জানা গেছে।

এ সব ভারি অস্ত্রের কারণে প্রতিদিন ঘটছে সংঘাত সংঘর্ষ, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, খুন, চোরাচালান ও মাদকের প্রবল ছোবল এবং আদিপত্য বিস্তার। ফলে প্রতিটি ক্যাম্পে বিরাজ করছে আতঙ্ক।

স্থানীয় রোহিঙ্গা যুবক আবুল কালাম উখিয়া কুতুপালং ১০ ক্যাম্পের ৩৪ নম্বর ব্লকের নুর কামালের ছেলে। তিনি গত ১ বছর ধরে কক্সবাজার শহরের একটি রেস্তোরাঁয় চাকরি করছেন।

ক্যাম্প ছেড়ে চলে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, জীবনের নিরাপত্তা না থাকায় চলে আসতে বাধ্য হয়েছি। ১৭টি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যুবকদের টার্গেট করে নিজ দলে অন্তর্ভুক্ত করার জন্যে ক্যাম্পে অস্থিরতা চালাচ্ছে। এ কারণে প্রায় এক হাজার ক্যাম্প মাঝি নিরাপত্তাজনিত কারণে গা ঢাকা দিয়েছেন। আমি বৃদ্ধ মা বাবার নির্দেশে ক্যাম্প ছেড়ে পরিচয় গোপন করে রেস্তোরাঁয় চাকরি নিয়েছি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্বরত ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি সৈয়দ হারুনর রশিদ বলেন, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করতে উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তিনটি ব্যাটলিয়ানের ২২০০ আর্মড পুলিশ দিন-রাত কাজ করছে। তারপরও থেমে নেই সংঘাত সংঘর্ষ, খুন, মাদক ও অস্ত্রের ঝনঝনানি।

তিনি আরো বলেন, এরই মধ্যে একাধিক এপিবিএন সদস্য রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের হাতে আহত হয়েছেন। তাই তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। আরসা, আলইয়াকিন, আরএসওসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপ পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছে এবং সেখান থেকে পরিচালনা করছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে/এমআরকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!