মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেফতার মা-মেয়েকে সাভার থেকে ঢাকা আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার রাতে সাভারের পোড়াবাড়ি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সাভারের পোড়াবাড়ি এলাকার মো. তোরাব আলীর স্ত্রী ও তার মেয়ে।
.png)
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ।
জানা যায়, রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি ও ওয়ালে বিজ্ঞাপন ‘এখানে প্রেমে ব্যর্থ, ব্যবসায় উন্নতি, ব্যক্তিগতসহ সকল সমস্যার সমাধান করা হয়’। নিচে দেওয়া একটি মোবাইল নম্বর। সেই সূত্র ধরে প্রভাত নামে এক ব্যক্তি যোগাযোগ করেন। তান্ত্রিকের দেওয়া ঠিকানামতো সাভারের পোড়াবাড়ি অমরপুরে যান। সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে তান্ত্রিক ‘গুরু মা’র কথামতো বিভিন্ন সময় প্রায় চার লাখ টাকা দিয়েছেন।
সময় যায়, সমস্যার সমাধান নেই। তান্ত্রিক ‘গুরু মা’র কাছে জানতে চাইলে উল্টো হুমকি-ধমকি দেন। পরে তার সমস্যা সমাধানে দুই মহিষ কেনার জন্য আরো সাড়ে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। ভুক্তভোগী প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে সাভার মডেল থানায় ১১ মার্চ মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ভণ্ড তান্ত্রিক ‘গুরু মা’ ও সহযোগী হিসেবে তার মেয়েকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।
পুলিশ জানান, আসামিরা বেদে সম্প্রদায়ের। বিজ্ঞাপন দেখে কেউ ফোন দিলে তারা প্রতারণার ফাঁদ পেতে মানুষকে ডেকে নিয়ে আসেন। তারপর নানা উপকরণ দিয়ে ধোঁয়া ও তন্ত্র-মন্ত্র পড়ে মানুষকে বোকা বানিয়ে ফেলেন। ভুক্তভোগীর থেকে টাকা বা মূল্যবান জিনিসপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি আদায় করে নেন। পরে টাকা হাতিয়ে নেন।
ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শীতা রানী ও তার মেয়ে শিউলি বেগম দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসা করে আসছেন। তাদের মঙ্গলবার দুপুরে সাভার থেকে ঢাকা আদালতে পাঠানো হয়েছে।