ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

নকল পণ্যে ঠকছে ক্রেতা

কামরুজ্জামান মিন্টু, ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: ১৮:৫৮, ১৫ মে ২০২৩
নকল পণ্যে ঠকছে ক্রেতা
প্রসাধনী সামগ্রী- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ময়মনসিংহ শহরে প্রসাধনী সামগ্রীর অনেক দোকানে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে নকল পণ্য। এছাড়া নামি-দামি ব্র্যান্ডের পণ্যগুলো ইচ্ছামতো দামে বিক্রি করে পকেট ভারী করছেন বিক্রেতারা। কারণ এসব পণ্যের গায়ে লেখা নেই বিক্রয়মূল্য। তবুও বাধ্য হয়ে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিদেশি বিভিন্ন পণ্য লাগেজের মাধ্যমে এদেশে নিয়ে আসা হয়। পরে দোকানিরাই মূল্য লিখে বিক্রি করেন। এছাড়া চোরাকারবারি চক্র বিভিন্ন পণ্য ময়মনসিংহে এনে বিক্রি করে। এসব পণ্যের গায়ে খুচরা বিক্রয়মূল্য না লিখে কোড নম্বর লিখে রাখেন বিক্রেতারা। আর সেই কোড নম্বর অনুসারে ইচ্ছামতো দামে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়।

সরেজমিনে শহরের বেশ কিছু দোকানে দেখা যায়, নামি-দামি ব্র্যান্ডের পণ্যগুলোতে বিক্রয়মূল্য লেখা নেই। মোটা কালি দিয় কোড নম্বর লিখে রাখা হয়েছে। ক্রেতারা দাম জিজ্ঞাসা করতেই ঐ কোড নম্বর দেখে দাম চাওয়া হচ্ছে। কোনো ক্রেতা বিক্রয়মূল্য না থাকার কারণ জানতে চাইলে নয়ছয় বোঝানো হচ্ছে। এতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে মাঝেমধ্যেই সৃষ্টি হয় বাগ্‌বিতণ্ডা।

Advertisement

লিটন মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, একই প্রসাধনী বিভিন্ন দোকানে একেক দামে বিক্রি হচ্ছে। অনেক পণ্যের গায়ে ইচ্ছামতো দাম বসানো হয়েছে। এসব বিষয়ে প্রশ্ন তুললে খাপার ব্যবহার করেন ব্যবসায়ীরা। এসব দোকানে সংশ্লিষ্ট দফতরের অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।

জুলেখা বেগম নামে আরেকজন জানান, নকলে সয়লাব প্রসাধনী সামগ্রী। ফর্সা হওয়ার ক্রিমসহ ব্রণ ও মেছতার দাগ উঠানোর ক্রিমগুলো উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হয়। পরে এগুলো ব্যবহারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। দোকানে এসে বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসা করলে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনা। আমরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত প্রতারিত হচ্ছি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ব্যবসায়ী জানান, নামি-দামি দেশীয় ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য নকল করে ডিলারদের মাধ্যমে সারাদেশের প্রসাধনীর দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেক বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল পণ্যও দেশে তৈরি করে বিদেশি বলে বিক্রি করা হয়। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে মানহীন, অনুমোদনহীন ফেস ক্রিম ও ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক নিশাত মেহের বলেন, প্রসাধনী সামগ্রীর দোকানগুলোতে অভিযান চালানো হবে। ভেজাল কিংবা চোরাইপথে আসা পণ্য বিক্রির প্রমাণ মিললে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!