অন্য এক নারীর স্বর্ণালঙ্কার হাতে যাওয়ার আগেই চালককে লাথি মারেন রোখসানা। এতেই কুপোঘাত এক ছিনতাইকারী। পরে ছিনতাইকারীকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয় লোকজন।
সোমবার সকালে ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌরবজারে এমন ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর সাহসিকতার জন্য রোখসানার প্রশংসা করছেন সবাই।
.png)
জানা যায়, সোমবার রোখসানা তার মেয়ের একটি বই পাল্টানোর জন্য নান্দাইল শহরে যান। কাজ শেষে বাড়িতে ফেরার পথে এক নারী তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। এক পর্যায়ে তাকে শহরের কাচারি মসজিদের সামনে নিয়ে আগে থেকে অপেক্ষমান একটি অটোরিকশায় তোলেন। পরে ঐ সড়ক দিয়ে যাওয়া আরেক নারী উপজেলার শেরপুর গ্রামের সামিলা আক্তারকে অটোরিকশায় তুলে নেন। এ সময় একজন পুরুষ অটোরিকশার পাশে এসে পর্দা নামিয়ে দেন। পরে ছিনতাইকারী দুজন ভেতরে প্রবেশ করে দুই নারীর হাত চেপে ধরেন।
রোখসানা বলেন, আমার কানে থাকা সোনার দুল ও গলায় থাকা চেইন ছিনিয়ে নেয়া হয়। যখন সামিলা আক্তারের এক কানের দুল খুলে নিয়ে অপরটি খোলার চেষ্টা করছিল তখন আমি চলন্ত অবস্থায় অটোরিকশার চালককে লাথি মেরে আসন থেকে নিচে ফেলে দেই। এ সময় বাজারের লোকজন দৌড়ে এসে অটোরিকশাটি থামায় এবং ছিনতাইকারী দলের এক নারী সদস্যকে ধরে ফেলেন।
অপরদিকে চালকসহ দুজন পুরুষ অটোরিকশা রেখে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে ছিনতাইকারী নারী ও অটোরিকশাটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ছিনতাইকারী ঐ নারীর বাড়ি ঈশ্বরগঞ্জে বলে জানা গেছে।
নান্দাইল থানার ওসি মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, দলের অন্য সদস্যদের পরিচয় জানার জন্য ঐ নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।