মঙ্গলবার বিকেলে মেহেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল্লাহ্ এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত শরিফুল ইসলাম কাজীপুর মাঠপাড়া গ্রামের রোমজিতের ছেলে। নিহত কাজিম উদ্দীন সম্পর্কে শরিফুল ইসলামের চাচা শ্বশুর।
জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৬ মে সন্ধ্যার দিকে কাজীপুর মাঠ পাড়ার কাজিম উদ্দীন একই এলাকার নাজিমুদ্দিনেরে চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন। চা পান করার পর বিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে শরিফুল কাজিম উদ্দীনের বিশেষ অঙ্গ চেপে ধরেন। এ সময় তার সহযোগীরা কাজিম উদ্দীনকে কিল ঘুষি মারতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই কাজিম উদ্দীনের মৃত্যু হয়।
.png)
এ ঘটনায় নিহত কাজিম উদ্দীনের ছেলে আবু সাঈদ বাদী হয়ে গাংনী থানায় শরিফুল, রোমজিত, নাজিম, মজনু, মনির, জিয়া, পচু, নাজিমুদ্দিনের মেয়ে মঞ্জু, মিনা এবং তার স্ত্রী মহিমাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার হোসেন প্রাথমিক তদন্ত শেষে শরিফুল, মঞ্জু বেগম, মিনা, মহিমা, রোমজিত, নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জ দাখিল করেন। মামলায় মোট নয়জন সাক্ষ্য প্রদান করেন। এতে মামলার ১ নম্বর আসামি শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদণ্ড দেন। মামলার অপর আসামি মঞ্জু বেগম, মিনা, মহিমা, রোমজিত এবং নাজিমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) পল্লব ভট্টাচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।