বুধবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান। তিনি জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ঢাকার কদমতলি ও মুন্সীগঞ্জের শ্রীপুরে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শরীয়তপুরের পালং থানার চরগাজিপুরের কাজল দেবনাথ (৪৭), ময়মনসিংহের ফুলপুরের আনোয়ার হোসেন বেপারী ওরফে ফজো বেপারী (৭০), মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ের এনারাও শেখ (৪০), কুড়িগ্রামের মাউরার পাড়ের সাইদুল সরকার (২৭), শরীয়তপুরের গোসাইরহাটের মো. শাহিদ ওরফে আবুল (৩৮) ও ঢাকার দোহারের উজ্জ্বল দাস (৩৮)।
.png)
পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান জানান, কাজল দেবনাথকে গত ৯ জুলাই বেনাপোল থেকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরে তিনি এ ঘটনায় জড়িত থাকার ব্যাপারে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সেখানে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জড়িত আরো পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত আরো কয়েকজন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।
ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার এসআই জব্বার ও কনস্টেবল হিমেল ডাকাত দলের এই সদস্যদের গ্রেফতারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন কর।
তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে এমারত শেখ ও সাইদুলের হেফাজত থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ও উজ্জল দাসের নিকট হতে লুণ্ঠিত অলঙ্কারের মধ্যে ৮ আনা ওজনের গালানো স্বর্ণের বার এবং ২০ ভরি রূপা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানার বাখুন্ডা বাজারে ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।