মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব কেওঢালা মুসলিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। নিহত বিল্লাল হোসেন পূর্ব কেওঢালা এলাকার মৃত হযরত আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানান, উপজেলার মদনপুর ইউপির পূর্ব কেউঢালা এলাকায় বিল্লাল হোসেনের ভগ্নিপতি আব্দুল গফুর, ভাগ্নে খোকন ও রাজু মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মুসলিমপাড়া রাস্তার পাশে দোকানঘর উঠাতে নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এ সময় বিল্লাল হোসেন দোকানঘর নির্মাণ কাজে বাধা দেন। এতে ভগ্নিপতি ও দুই ভাগ্নে ক্ষিপ্ত হয়ে বিল্লালকে মারধর শুরু করলে একপর্যায়ে বিল্লাল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ খবর পেয়ে তার পরিবারের লোকজন এসে বিল্লালকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে বিল্লাল হোসেন মারা যান।
.png)
কামতাল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর এইচ এম মাহমুদ জানান, পূর্ব কেওঢালা মুসলিম পাড়া এলাকায় দোকান উঠানোকে কেন্দ্র করে আপন মামা, ভাগ্নে ও ভগ্নিপতির মধ্যে কথা-কাটাকাটি এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে বিল্লাল (৪৫) মাঠিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে অসুস্থ বিল্লালকে আল বারাকাহ হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড করেন। পথিমধ্যে বিল্লাল মারা যান। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনায় অভিযুক্ত সবাই পার্শ্ববর্তী সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউপির খাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা।