মঙ্গলবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করে সংস্থাটি। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- লিটন মিয়া, নাছির মিয়া ও শরিফ মিয়া। তারা সদর উপজেলার রামেরচর এলাকার বাসিন্দা।
র্যাবের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামান জানান, ইউপি নির্বাচন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কবজ উদ্দিন এবং প্রতিপক্ষ লিটন মিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর আগে দু’পক্ষের মারামারির ঘটনায় সদর থানায় অভিযোগও দায়ের হয়।
.png)
এসব ঘটনার জের ধরে গত ২৬ জুলাই রাতে কবজ উদ্দিন রাতের খাবার খেয়ে পার্শ্ববর্তী ছনবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। বাজার থেকে বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় কবজের আত্মীয়স্বজনরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।
একপর্যায়ে ২৭ জুলাই সকালে ছনবাজার এলাকার জনৈক জয়নাল আবেদীনের সবজিক্ষেতে কবজের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। পরে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মরিয়ম বেগম বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
তিনি আরো জানান, ঘটনার পর থেকে আসামিরা গ্রেফতার এড়াতে দেশের বিভিন্ন জেলায় আত্মগোপনে ছিলেন। পরে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে র্যাবের একটি অভিযানিক দল ৩১ জুলাই রাতে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি লিটন মিয়াসহ তার আরো দুই সহযোগী নাছির মিয়া এবং শরিফ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।