উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, শিক্ষিকা শারমিন আক্তার লিজা ৩০ দিনের ছুটি নিয়ে বিদেশে যান। সেই ছুটি শেষ হয়ে এক বছর পার হলেও তিনি এখনও বিদ্যালয়ে উপস্থিত হননি।
এ বিষয়ে ক্ষোপ প্রকাশ করেছেন ঐ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ আরো অনেকে। একজন শিক্ষিকা কম থাকায় বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান অভিভাবক ও শিক্ষকরা।
.png)
বিদ্যালয়ের মোট ১৪১ ছাত্র-ছাত্রীর জন্য শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ছয়জন। শিক্ষক স্বল্পতায় পাঠদানে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যালয়টি। তবে একজন সহকারী শিক্ষিকা না থাকায় তাদের আরো বিপাকে ফেলে দিয়েছে।
এ বিষয় স্কুলটির প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) হেলেনা বেগম বলেন, লিজা এক মাসের ছুটি নিয়ে গেছেন। তবে এক বছর হয়ে গেলেও এখনো তার কোনো খোঁজ-খবর নেই। আমি বিষয়টি আমি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে জানিয়েছি।
এ বিষয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মীর রেজাউল ইসলাম জানান, তিনি ডিপিইও-কে ছয় মাসের সময় জানিয়েছেন এবং এক বছর পার হওয়ার পর পুনরায় জানিয়েছেন। তিনি কোনো ব্যবস্থা নিয়েছেন কি না, তা তিনি জানেন না।