পাশাপাশি তাদেরকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রোববার বিকেলে চাঁদপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মহসিনুল হক এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ফরিদগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের মন্তি খার ছেলে মোস্তফা (২৫) ও মিলন হোসেন (২৩), আব্দুর রহিমের স্ত্রী বিলকিস বেগম (৪০), তার ছেলে রিপন হোসেন (২৪) ও সাদ্দাম হোসেন (২৭)।
.png)
মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামি বিলকিস বেগম তার ঘরে বাহিরের লোকজন এনে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হতেন। এ বিষয়ে বাড়ির লোকজন তাকে বিরত থাকার অনুরোধ করতেন। কিন্তু তিনি কোনো নিষেধ মানতেন না।
২০১৩ সালের ৮ মার্চ সন্ধ্যার দিকে আ. রহিমের স্ত্রী বিলকিসকে অনৈতিক কাজের জন্য নিষেধ করেন হত্যার শিকার একই বাড়ির মোবারক হোসেন। কেনো তাকে নিষেধ করা হলো এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে আসামিরা মোবারক ও তার স্ত্রী নিলুফাকে বেধড়ক পেটান ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করেন। পরে হাসপাতালে প্রায় একমাস চিকিৎসাধীন থাকার পর ৩ এপ্রিল মারা যান।
মৃত্যুর পরদিন ৪ এপ্রিল মোবারক হোসেনের ছেলে জিল্লুর রহমান বাদী হয়ে আসামিদের নাম উল্লেখ করে ফরিদগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটির (পিপি) রনজিত রায় চৌধুরী জানান, মামলাটি ১০ বছরের অধিক সময় চলাকালীন আদালত ১৩ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। আসামিরা অপরাধ শিকার করায় আজ এ রায় দেন আদালত।
রায়ের সময় আসামি বিলকিস, সাদ্দাম ও মোস্তফা উপিস্থত ছিলেন। মিলন ও রিপন হোসেন পলাতক রয়েছেন। মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ।