এদিকে, প্রণোদনার মাধ্যমে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে ৪৭০ জন চাষিকে সহায়তা করেছে কৃষি অফিস। যা আগামী মাসের মধ্যে বাজারে পাওয়া যাবে।
এ উপজেলায় উন্নতমানের পেঁয়াজ চাষের সুনাম বহন করা মুড়িকাটা, হালি ও দানা জাতের পেঁয়াজ প্রতি মৌসুমে চাষ হয়। এর মধ্যে আগাম জাত হলো মুড়িকাটা। যা উপজেলার সব ইউনিয়নে এরই মধ্যে চাষ শুরু হয়েছে।
.png)
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার ২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করার সম্ভাবনাও বেশি। এখন পর্যন্ত চাষ হয়েছে ১৮০০ হেক্টর জমিতে।
বকুল মন্ডল নামের এক পেঁয়াজ চাষি জানান, এবার তিনি তার ৪ বিঘা জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ করেছেন। বিঘাপ্রতি তার খরচ হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। আবহাওয়া ভালো থাকলে ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন তিনি।
টেঙ্গর মন্ডল নামের আরেক পেঁয়াজ চাষি জানান, এবার তিনি ৫ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করবেন। এরই মধ্যে ৩ বিঘা লাগানো শেষ হয়েছে। এবার ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন এই চাষি।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, এবার পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করার সম্ভাবনা বেশি। আমরা মাঠপর্যায়ে গিয়ে চাষিদের পরামর্শ দিচ্ছি। এছাড়া কম খরচে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষের জন্য চাষিদের উদ্বুদ্ধ করছি। আমরা এ বছর ৪৭০ জন চাষিকে সহায়তা করেছি। আরো ২০০ জনকে সহায়তা করা হবে।