শনিবার রাতে বারোপুতা কৃষ্ণপুর নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে এ সোনার চালানটি আটক করা হয়। এ সময় ১ কেজি ৩৯৯ গ্রাম (১১৯.৯৮ ভরি) ওজনের ১২ পিস সোনার বার এবং ১টি মোটরসাইকেলসহ ৩ জন আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, আজমীর, জালাল ও নুরুজ্জামান। তাদের সবার বাড়ি বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী গ্রামে।
.png)
২১ বিজিবি ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ খুরশীদ আনোয়ার জানান, শনিবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়; সোনার একটি চালান বাংলাদেশ হতে ভারতে পাচার হতে পারে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে খুলনা ব্যাটালিয়নের (২১ বিজিবি) অধিনায়কের সার্বিক দিক নির্দেশনায় দৌলতপুর বিওপির একটি টহল দল দৌলতপুর গ্রামস্থ কৃষ্ণপুর নামক স্থানে রাস্তার পার্শ্বে গোপনীয়তার সঙ্গে অবস্থান নেয়।
কিছু সময় পর বিজিবি টহল দল বেনাপোল হতে দৌলতপুর অভিমুখে ১টি মোটরসাইকেল আসতে দেখে তাকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। পরে না থেমে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবির টহল দল তাদের ধাওয়া করে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত আনার উদ্দিনের ছেলে মো. আজমীর (২০), আলী কদমের ছেলে মো. জালাল উদ্দিন (৩৭) ও মো. রুহুল আমিনের ছেলে মো. নুরুজ্জামান (৩৮)। সবার ঠিকানা গ্রাম- পুটখালী, পোস্ট- বালুন্ডা, থানা-বেনাপোল পোর্ট। তাদের কাছ থেকে তল্লাশি করে ১ কেজি ৩৯৯ গ্রাম ওজনের ১২ পিস সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
উক্ত সোনার বারগুলো ১ আসামির শরীরে কসটেপ দ্বারা অভিনব কায়দায় লুকায়িত ছিল। ধৃত আসামিরা সোনার বারগুলো দৌলতপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পাচার করতে চেয়েছিলেন। আটককৃত সোনার মূল্য ১ কোটি ২৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকা এবং মোটরসাইকেলসহ মোট সিজার মূল্য এক কোটি সাতাশ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। উক্ত সোনার বারগুলো ট্রেজারি অফিসে এবং আসামিসহ মোটরসাইকেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।