শুক্রবার সকালে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। এদিকে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বরগুনায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়ে অব্যাহত রয়েছে।
নদীতে ভাটা থাকায় পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে থাকলেও জোয়ারের সময় পানি স্বাভাবিকের থেকে বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
.png)
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মিধিলি দুপুরের দিকে পিরোজপুর, বরগুনা, ঝালকাঠি ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা অতিক্রম সম্পন্ন করতে পারে। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়াসহ ভারী বর্ষণ হতে পারে। পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ঘূর্ণিঝড়টি ৩৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করায় শুরু হয়েছে দমকা হাওয়া।
বরগুনায় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ৯ হাজার ৬১৫ জন স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রয়েছেন। ঘূর্ণিঝড় মিধিলি মোকাবিলায় ৬ লাখ ৫০ হাজার নগদ টাকা, ৪৩০ মেট্রিক টন চাল, ৯৬ বান্ডিল ঢেউটিন, ২০০০ পিস কম্বল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুত কর্মসূচি (সিপিপি) টিম লিডার জাকির হোসেন মিরাজ বলেন, বরগুনা উপকূলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টি হলেও, আজ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারী বর্ষণ হচ্ছে। দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের আগে অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে গাছপালার গোড়া নরম হয়ে যায়। সবাইকে নিরাপদে থাকতে হবে।
বরগুনার জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ঘূর্ণিঝড় পূর্ববর্তী উদ্ধার অভিযান প্রচারণা ক্ষেত্রে আমরা ব্যাপক জোর দিয়েছি। যাতে কোনো মানুষ হতাহত না হয়।