এদিকে নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি হওয়ায় খুলনায় কিছুটা শীত অনুভূত হচ্ছে। গভীর সমুদ্রে যাওয়া মাছ ধরার ট্রলারগুলো উপকূলে অবস্থান করছে। ফলে উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল হোসেন বলেন, সাইক্লোন সেন্টারগুলো প্রস্তুত রয়েছে। প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে।
.png)
খুলনা জেলা প্রশাসনের জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল করিম বলেন, খুলনা জেলার উপকূলীয় চারটি উপজেলা দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছা ও বটিয়াঘাটা ঝুঁকিপূর্ণ। এ উপজেলাগুলোতে সাইক্লোন সেন্টার আছে ৪৩৩টি। এই সাইক্লোন সেন্টারগুলোকে আমরা প্রস্তুত রেখেছি। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুতি সভাও হয়েছে।
শুক্রবার সকালে খুলনা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ বলেন, ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা এবং এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর ওপর দিয়ে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। মোংলা ,চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পায়রা বন্দরসমূহকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারী সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।