কৃষকরা বলছেন, অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আসায় তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। অন্যদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, দিন দিন সবজির আবাদ বেড়ে যাওয়ায় ওইসব অঞ্চলে কৃষিতে বিল্পব ঘটেছে।
শেরপুরের পাহাড়ি অঞ্চল ঘেরা শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ীতে বছরব্যাপী বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি আবাদ হচ্ছে। কৃষকরা এবার পাহাড়ি টিলার পতিত জমির ফাঁকে ফাঁকে রোপণ করেছেন শীতকালিন নানা সবজি।
.png)
বনাঞ্চলের এখন যেখানেই চোখ পড়বে চারদিকে শুধু সবজি ক্ষেত। বর্তমানে ওইসব পাহাড়ি অঞ্চলে লাউ, বেগুন, বাঁধাকপি, ফুলকপি, বরবটি, শশা, ঝিঙা, কচু, হলুদ, কাকরোল, চালকুমড়াসহ ১২ রকমের সবজি চাষ হচ্ছে।
পাহাড়ি কৃষকরা জানান, এবার প্রতিকূল আবহাওয়া সত্বেও আগাম শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ করে লাভবান হবেন তারা। বিক্রিও শুরু করেছেন অনেকে। দামও পাচ্ছেন ভালো।
সবজির আড়তদাররা বলছেন, পাহাড়ে সবজির আবাদ বাড়ায় কর্মসংস্থনের পথ খুলে গেছে এলাকার বেকার যুবকদের। ওইসব যুবকরা পাহাড়ি অঞ্চল ঘুরে উৎপাদিত এসব সবজি সংগ্রহ করছেন। যার সিংহভাগই যাচ্ছে রাজধানী ঢাকায়।
অন্যদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, দিন দিন সবজির আবাদ বেড়ে যাওয়ায় ওইসব অঞ্চলে কৃষিতে বিল্পব ঘটেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সুকল্প দাস জানান, শেরপুরের বনাঞ্চল ঘেরা তিন উপজেলায় পতিত পড়ে থাকা দুই হাজার হেক্টর জমিতে সবজি উৎপাদন হচ্ছে। আর প্রতি বছর সেখান থেকে পাওয়া যাচ্ছে ৪০ হাজার মেট্রিক টন সবজি। প্রতিবছরই বাড়ছে পাহাড়ে সবজি চাষ।