বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত আব্দুস সাত্তার উপজেলার সেকেন্দ্রাবাদ গ্রামের মৃত শরাফত প্রামাণিকের ছেলে।
জানা যায়, গত ৬ ডিসেম্বর উপজেলার শব্দলদিঘী গ্রামে অসুস্থ নাতনি স্নিগ্ধা দেখতে যান আব্দুস সাত্তার। সেখান থেকে ফেরার পথে মেয়ের জামাই মতিয়ার রহমান পারিবারিক কলহের জেরে তাকে মারধরের পর মাথায় ছুরিকাঘাত করেন। দ্রুত স্থানীয়রা আব্দুস সাত্তারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ৮ ডিসেম্বর শিবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা করেন নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান। মামলায় সাত্তারের মেয়ের জামাই মতিয়ারসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়
.png)
নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, ১৮ বছর আগে বড় বোন সান্ত্বনা খাতুনের সঙ্গে পাশের শব্দলদিঘী গ্রামের মতিয়ারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তিনি তুচ্ছ ঘটনায় সান্ত্বনাকে মারধর করে আসছিলেন। মতিয়ারের অভিযোগ তাকে জামাই হিসেবে ঠিকমতো দাওয়াত ও সমাদর করা হতো না। এজন্য তিনি বোনকে আমাদের বাড়িতেও আসতে দিতেন না। বছরখানেক আগেও মতিয়ার আমার বাবাকে মারধর করেছিলেন। বোনের সংসারের খাতিরে বিষয়টি আমরা মেনে নেই। গত ৬ ডিসেম্বর অসুস্থ ভাগনি স্নিগ্ধাকে দেখে আসার পথে মতিয়ার তার আত্মীয়দের নিয়ে বাবাকে মারধরের পর মাথায় ছুরিকাঘাত করেন।
শিবগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রউফ বলেন, ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন আসামিরা। তাদের গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।