স্থানীয়রা জানান, গত ১৮ ডিসেম্বর উপজেলার টিঅ্যান্ডটি মোড়ে ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘোরাঘুরি করতে থাকে হনুমানটি। হঠাৎ সড়কের পাশে থাকা রুনা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে ঢুকে পড়ে হনুমানটি। টেবিলে বসে পড়ে প্রাণিটি। পরে হোটেল কর্মচারী রুটি ও সবজির প্লেট দিলে খেতে শুরু করে হনুমানটি। পাঁচ মিনিট টেবিলে বসে পুরো খাবার শেষ করে চলে যায়। এরপর থেকে প্রায় হনুমানটি হোটেলে এসে রুটি, ভাত, সবজি ও ডিম ভাজি খায়।
হোটেল মালিক সামাদ বেপারী বলেন, হঠাৎ করে আমার হোটেলে ঢুকে খাবার টেবিলে বসে পড়ে। আমি বুঝতে পেরেছিলাম হনুমানটি ক্ষুধার্ত। পরে আমার দোকানের কর্মচারীকে দিয়ে ভাত-সবজি খেতে দেই। খাবার শেষ করে আবার চলে যায় হনুমানটি।
.png)
স্থানীয় বাসিন্দা পলাশ খান বলেন, হনুমানটি কাউকে বিরক্ত করে না। সব সময় গাছে ঘুরে বেড়ায়। ক্ষুধা লাগলে নিচে নেমে আসে। তখন অনেকে কলা-বিস্কুট ও পাউরুটি খেতে দেয়।
জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম লুনা বলেন, আমরা হনুমানটির বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি। প্রাণিটির যেন লোকজনের ক্ষতি বা বিরক্তির কারণ না হয় সে বিষয়ে বনবিভাগের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।