রোববার বিকেলে ৩টার দিকে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফের উদ্দেশে রওনার পর জাহাজ দুটির ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
এমভি বার আউলিয়ার সাঈদ নামের এক যাত্রী বলেন, শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) এমভী বার আউলিয়ায় রোববারে টেকনাফে ফেরার জন্য বিজনেস ক্লাসের তিনটি টিকিট কিনি। কিন্তু জাহাজে উঠে দেখি আমার সিটে অন্যরা বসা। সিটগুলো আমাদের কেনা বলার পর তারা জানায়, সিটগুলো তারাও কেটেছে। এনিয়ে ঐ যাত্রীরা আমাদের উপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে ৪-৫ জন একত্রে আমাকে প্রহার করে। এসময় জাহাজ কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারী এগিয়ে আসেননি।
.png)
এল সি টি কাজলের যাত্রী আদনান রহমান বলেন, জাহাজ কর্তৃপক্ষ আমার কাছ থেকে টিকিটের টাকা নেয়ার পরও সিটে বসতে দেয়নি। এ নিয়ে অভিযোগ করার পরও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। একই সিটের ডাবল যাত্রী হওয়ায় আমাদের মাঝে বাকবিতণ্ডা হয়। জাহাজের কর্মীরা জাহাজের ভেতর প্লাস্টিকের চেয়ারগুলো বসার জন্য বিক্রি করেছে। ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়াতে আমরা এমন নাজেহাল পরিস্থির মধ্যে পড়েছি। জাহাজের কোন অংশ খালি ছিলনা। প্রায় আড়াইঘন্টা সময় জাহাজে যে কষ্ট সহ্য করতে হলো তা বলার মতো নয়।
এমভি বার আউলিয়ার পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, কর্ণফুলি জাহাজটি যান্ত্রিক সম্যসায় পড়ায় সেন্টমার্টিন যেতে পারেনি। তাই দ্বীপে থাকা পর্যটকদের বার আউলিয়া জাহাজে করে নিয়ে আসা হয়। তবে সিটে বসা নিয়ে কোনো ঝগড়া হয়নি।