বোগদাদিয়া লঞ্চ-৭ এর মাস্টার কলিমুল্লাহ জানান, সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে লঞ্চটি পৌনে ১২টায় চাঁদপুর ঘাটে আসে। ঘাটে আসার পর সব যাত্রী লঞ্চ থেকে নেমে পড়েন। কিন্তু নিচতলার ১০৩ কেবিনের যাত্রী বের হননি। পরে দরজায় অনেকবার নক করা হলেও সাড়া শব্দ না পেয়ে জানালা খুলে দেখা যায়, তিনি নিচে পড়ে আছেন। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে নৌ-থানা পুলিশকে অবহিত করলে ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লঞ্চের খাতায় তিনি জয়নাল নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক মো. মুনসুর আহমেদ জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পূর্বেই রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন। রোগীকে যেহেতু মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে, তাই কোনো কারণ বলা যাচ্ছে না।
.png)
চাঁদপুর নৌ থানার এসআই জহির জানান, খবরটি জানতে পেরে লঞ্চে ছুটে এসে জয়নালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি ঢাকায় একটি টেইলার্সে কাজ করেন বলে টেইলার্সের মালিকের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, তার বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়। কেবিনে তিনি একা থাকায় পূর্ণাঙ্গ পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হতে পারে। বর্তমানে জয়নালের মরদেহ চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে।