শুক্রবার দুপুরে রায়হান উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বড় মেয়ের বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার আয়োজন করেন পরিবারের সদস্যরা। রাতে কেক কাটাকে কেন্দ্র করে রায়হান ও তার স্ত্রী সুলেখার মধ্যে তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাতেই স্ত্রী সুলেখা বাপের বাড়ি চলে যান। পরে স্বামী রায়হান আত্মহত্যা করেছেন শুনে স্ত্রী আবার ওই রাতেই বাড়ি ফিরে আসেন।
.png)
আলমডাঙ্গা থানার এসআই দেবাশীষ রায় বলেন, তিনি ঋণগ্রস্ত ছিলেন। এতে পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যান। এরই জের ধরে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে বিস্তারিত জানা যাবে এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা।