সোমবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান। এর আগে, রোববার নরসিংদী জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতিতে জড়িত ছয়জন ও লুট করা মাল কেনায় জড়িত একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নরসিংদীর রায়পুরা থানার শেখ ফরিদ, শিবপুর থানার আবুল কাশেম, নরসিংদী সদর থানার নূরুল ইসলাম, রায়পুরা থানার মোক্তার হোসেন ও আল আমিন এবং নরসিংদী সদর থানার রাজিব। এছাড়া লুণ্ঠিত মালামাল ক্রয়ের দায়ে গ্রেফতার করা হয় পলাশ থানার শিপন চন্দ্র সূত্রধরকে।
.png)
এসপি জানান, গত ২৬ জানুয়ারি রাতে শিবপুর থানাধীন যশোর বাজার ইউনিয়নের দেবালেরটেক এলাকার হাজি মেজবাহ উদ্দিন মেজুর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১০-১২ জনের ডাকাত দলটি টিনশেড ঘরের বারান্দার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় সাতজন ডাকাত রুমে প্রবেশ করে গৃহকর্তার স্ত্রীকে ছুরি ও পাইপ গান ধরে জিম্মি করে আলমারির তালা ভেঙে ১৯ লাখ লুট করে।
এছাড়াও শরীরে থাকা স্বর্ণের গয়না ছাড়াও আলমারিতে রক্ষিত ১৭ লাখ ৩৪ হাজার টাকা মূল্যের প্রায় ১৬ ভরি স্বর্ণালংকারসহ একতটি বাটন ফোন নিয়ে যায়। ডাকাতরা নগদ টাকাসহ মোট ৫৩ লাখ ৩৬ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিবপুর থানায় মামলা করেন।