বুধবার দুপুরে লালমনিরহাট জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম আব্দুল আলিম ওরফে বাবলু। তিনি লালমনিরহাট সদর উপজেলার কিসামত চোংগাদারা এলাকার শামসুল হকের ছেলে। এছাড়া এ রায়ে অপর অভিযুক্ত আসামি বাবলুর মা মোছা. রশিদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার রমনীগঞ্জের বাসিন্দা ইউনুছ আলীর ছেলে এরশাদ আলীর সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সদর উপজেলার চোংগাদারা এলাকার রশিদা বেগমের মেয়ে সুলতানা বেগমের। বিয়ের চার বছর পর পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে বাবার বাড়ি চলে আসেন সুলতানা বেগম। স্বামী এরশাদ স্ত্রীকে নিতে ২০১৭ সালের ১২ জুলাই শ্বশুরবাড়িতে যায়। সেখানে ঐ বছরের ১৬ জুলাই স্বামী স্ত্রীর মাঝে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর শাশুড়ি ও শ্যালকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিতে হয় এরশাদের। এ কলহের জেরে সৃষ্ট ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এরশাদকে। এ ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনার পরের দিন ১৭ জুলাই এলাকাবাসী এরশাদের শাশুড়ি ও শ্যালককে আটক করে পুলিশ ও এরশাদের পরিবারকে খবর দেন।
.png)
পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে গত ৩১ মার্চ ২০১৮ সালে শাশুড়ি রশিদা বেগম ও শ্যালক বাবলুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন লালমনিরহাট জেলা ও জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আকমল হোসেন।