সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বরাং ট্যুরিজমপার্ক সংলগ্ন সমুদ্রসৈকত এলাকায় মাঝি নুরুল হকে জালে এসব মাছ ধরা পড়ে। এ সময় ঐ মাছ দেখার জন্য স্থানীয় লোকজন সেখানে ভিড় করেন।
নুরুল হক টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
.png)
জানা গেছে, সোমবার ঐ জেলেদের জালে ছোট পোয়া, ফাইস্যা, বড় ফাইস্যা, মলা, ছুরি, বাটাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোট-বড় মাছ ধরা পড়ে। যার ওজন প্রায় ৪০০ মণ। জেলেরা এসব মাছ বিক্রি করছেন পাইকারি ক্রেতাদের কাছে।
জালের মাঝি এবাদুল্লাহ প্রকাশ বদয়া বলেন, একটানে জালে আট লাখ টাকার মাছ উঠেছে। গত বছর এই সময়েও কয়েক লাখ টাকার মাছ পাওয়া গিয়েছিল। অন্যান্য বছরের চেয়ে হঠাৎ এ বছর জালে প্রচুর পরিমাণে মাছ ধরা পড়ছে। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে মাছ ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলেরা অনেক খুশি।
টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, মাছ ধরা বন্ধ থাকার কারণে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন ও আকৃতি বেড়েছে অনেক গুণ। এর সুফল হিসেবে শাহপরীর দ্বীপ উপকূলের জেলেদের জালে বড় ও ছোট প্রজাতির প্রচুর পরিমাণের মাছ ধরা পড়ছে।