বুধবার রাতেই নিহতের বড় ভাই মো. রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে তানোর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার পর অন্য আসামিদের গ্রেফতারেও অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান তানোর থানার ওসি মো. আব্দুর রহিম।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন মো. ফরহাদ, মো. সোহান ও মোসা. সুমি বেগম। তারা সবাই তানোর থানার বাসিন্দা।
.png)
অন্য আসামিরা হলেন আবুল হাসান, মো. জাকারিয়া, মো. হাকিম বাবু, মো. ইয়াসিন, মো. শাহিন, মো. মুরাদ হোসেন ফেলু, তোফাজ্জ্বল হোসেন মিঠু, মো. রাশেল, মো. রিপন, মো. সুফিয়ান, মো. দেলোয়ার হোসেন ওরফে জয় ও মো. কাউসার।
জানা যায়, গত সোমবার নারায়ণপুর মোড়ে আলফাজের দোকানের সামনে জিয়ারুল ইসলামকে পূর্ব শত্রুতা ও গভীর নলকূপ ডিপ নিয়ে দ্বন্দের জেরে আসামি আবুল হাসান তার ওপর আক্রমণ করার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে আঘাত করতে না পেরে যেখানে পাবে সেখানে শেষ করে লাশ গুম করে দেবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। এরপর ২০ ফেব্রুয়ারি রাত অনুমান ১১ টার দিকে তানোর উপজেলা শহিদ মিনারে ফুল দেয়ার জন্য রওনা দিয়ে তানোর উপজেলা চত্বরে পৌঁছা মাত্রই আসামিরা বলেন, ‘এখন তানোরে পেয়েছি, তোকে এবার কোনো বাপ বাঁচাবে। তুই উপজেলা চত্বর থেকে বের হ’।
তোকে দেখছি বলে, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রাণে মারার হুমকি দিলে জিয়ারুল কয়েকজনকে নিয়ে শহিদ মিনারে ফুল না দিয়ে চলে আসে। প্রাণের ভয়ে নারায়ণপুর থেকে তোফাজ্জল, মইফুল জিয়ারুলকে তার নিজ কৃষি গোডাউন পর্যন্ত নিরাপদে পৌঁছে দেয়। এরপর তিনি মোটরসাইকেল রাত ১ টার দিকে নিজ বাড়িতে রওনা দেয়। এরপর পথরোধ করে বিলশহর এলাকায় আসামিরা তাকে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়।