সোমবার সকাল ৭টায় নিজ বাড়িতে মারপিটের ঘটনা ঘটে। পরে বিকেলে পার্শ্ববর্তী কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে সোমবার রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত রেজাউল উপজেলার নারায়ণপুর ইউপির বড়খানপুর ঢাকাপাড়া গ্রামের আয়তাল হকের ছেলে। নিহতের দেড় বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের বাবা আয়তাল হক এবং মা সালেহা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে। এছাড়া ছোটভাই ইসরাফিল পলাতক রয়েছে।
.png)
নিহতের স্ত্রী সুমি খাতুন এবং রেজাউলের চাচা আয়নাল হক জানান, সোমবার সকাল ৭টার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে খোলা জায়গা থেকে লাকড়ির জন্য গাছের ডালপালা ভেজা থেকে রক্ষায় ঘরে তোলা নিয়ে নিহত রেজাউলের স্ত্রী সুমি খাতুন ও শাশুড়ি সালেহা বেগমের মধ্যে বাক-বিতণ্ড হয়। এই বিতণ্ডাকে কেন্দ্র করে এক পর্যায়ে নিহত রেজাউল ওরফে সাইমন এবং তার আপন ছোট ভাই ইসরাফিল ওরফে মনি এর মাঝে হাতাহাতি লেগে যায়।
এক পর্যায়ে ছোট ভাই ইসরাফিল ওরফে মনি, মা সালেহা বেগম ও বাবা আয়তাল হক একত্রে রেজাউলকে লাঠি দিয়ে মারপিট করে। এতে রেজাউল অসুস্থ হয়ে পড়লে বড়খানপুর বাজারের গ্রাম চিকিৎসক আব্দুস সালামকে ডেকে এনে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে রেজাউলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিকেল ৫টার দিকে ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে এ সংবাদ পেয়ে চৌগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত রেজাউলের বাবা আয়তাল হক এবং কোটচাঁদপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রেজাউলের মা সালেহা বেগমকে হেফাজতে নেয়। অন্যদিকে নিহতের ছোটভাই ইসরাফিল ওরফে মনি পলাতক রয়েছে।
চৌগাছা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নিহতের বাবা ও মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।