ক্রেতারা জানান, খেজুরের দাম মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে। নরম কম দামের খেজুরও আজ দুইশ টাকার উপর। অন্য সময়ে যে খেজুর সাড়ে ৩ থেকে চারশ টাকা বিক্রি হতো, এখন ওই খেজুরের দাম হাজার টাকা। তাও ভালো মানের খেজুর মনে হচ্ছে না। তাছাড়া অন্যান্য সকল ফলের দামই বেশি। ইফতারের জন্য ফল কিনতে এসে খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে।
মাদারীপুর শহরের পুরানবাজার ঘুরে দেখা গেছে, খেজুর, মাল্টা, আঙুর আর তরমুজের দাম আকাশছোঁয়া। এছাড়াও হঠাৎ করেই বেড়েছে লেবুর দামও। রমজান উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় নানা রকম সবজির দামও বেড়েছে কিছুটা। রকম ভেদে বেগুনে বেড়েছে ১০-২০ টাকা বেশি।
.png)
সবজি বিক্রেতারা জানান, সবজির দাম খুব একটা বাড়েনি। তবে বেগুনের দাম কিছুটা বেড়েছে। রমজানে ইফতারে বেগুনির চাহিদা থাকায় বাজারে বেগুনের দাম একটু বেড়েছে। এছাড়া লেবুর দামও বেশি। এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত।
আরাফত শরীফ নামে এক ক্রেতা বলেন, তরমুজের কেজি ৮০ টাকা করে। আর খেজুর তো কেনাই যাচ্ছে না। নিম্নমানের খেজুরের দাও চড়া। আগে ৪-৫ শ’ টাকায় যে খেজুর কিনতাম, আজ বাজারে ১২শ’ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। খেজুর না কিনেই ফিরতে হয়েছে।
ক্রেতা মো. কাওসার বলেন, ইফতারে সব সময় খেজুর খাই। এক পিস করে হলেও ইফতারে খেজর থাকে। এ বছর দাম অনেক বেশি। ৬শ’ টাকা দিয়ে আধা কেজি খেজুর কিনেছি মাত্র।
বিক্রেতারা বলেন, ফলের দোকানে ক্রেতারা ভিড় করলেও বিক্রি কম। দাম বেশি থাকায় এক কেজির পরিবর্তে আধা কেজি, অনেকে আড়াইশ গ্রাম করে ফল কিনছেন। অনেকে না কিনেই ফিরে যাচ্ছেন।
মাদারীপুর ভোক্তা অধিকার অধিদফতরের উপ-পরিচালক জান্নাতুল ফেরদাউস জানান, অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়া হবে।