শনিবার (১৬ মার্চ) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাগরের বাবা মো. সিরাজুল ইসলাম। এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) সকালে লক্ষ্মীপুর জজকোর্টে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সাগরকে ত্যাজ্য করার ঘোষণা দেন তিনি। সিরাজুল ইসলাম উপজেলার চরলরেঞ্চ ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।
বাবা মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, সাগর তার ঔরষজাত ছেলে। তার স্ত্রীর নাম শারমিন আক্তার। সাগর বাবা-মায়ের অবাধ্য হয়ে সমাজের অসৎ চরিত্রের লোকদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে নিজের নৈতিক চরিত্রের অধঃপতন ঘটাচ্ছে। সাগরের অসৎ চাল-চলন, আচার-ব্যবহার ও পরিবারের লোকজনকে হত্যার হুমকি দেওয়াসহ নানাবিধ কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ তার মা-বাবা। এরই মধ্যে সাগর নিজের ইচ্ছেমতো অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে ও দুই সন্তানের বয়স্ক নারীসহ চারটি বিয়ে করে। পরিবারের লোকজন ও আত্মীয়-স্বজন বহু চেষ্টা করেও তাকে সঠিক পথে আনতে ব্যর্থ হয়।
.png)
এর আগে লক্ষ্মীপুর আদালতে বাবা বাদী হয়ে ছেলে সাগরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত তাকে জেলে পাঠায়। পরবর্তীতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে এ প্রতিশ্রুতি দিলে আপোষ শর্তে ছেলেকে জমিনে মুক্ত করেন। জেল থেকে বের হয়ে আগের মতো আবারো বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে সাগর। এতে অতিষ্ঠ হয়ে ছেলেকে ত্যাজ্য করার ঘোষণা করেন বাবা সিরাজুল ইসলাম।
সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, ছেলেকে ভালো রাখতে পড়ালেখা ও ব্যবসাসহ সবরকম চেষ্টা করেছি। কিন্তু সে এ বয়সে চারটি বিয়ে করেছে। সমাজে তার সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। সে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। চুরি থেকে শুরু করে সব ধরনের খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়েছে সে। তাই বাধ্য হয়ে তিনি নিজ ছেলে সাগরকে ত্যাজ্য করে দেন।