বুধবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মানষ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের যৌথ টিম ইটভাটাটি গুঁড়িয়ে দেয়। এ সময় রামগতি থানার উপ পরিদর্শক আবুল খায়েরসহ পুলিশের চৌকস টিম উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত শুক্রবার বিকেলে ইটভাটাটি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে চর আলগী ইউনিয়নের চর নেয়ামত গ্রামের ৪ সমাজের মানুষ। উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশের পর গত ৮ এপ্রিল সোমবার বিকেলে রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আমজাদ হোসেন ওই ইটভাটা গিয়ে নোটিশ জারির করেন।
.png)
অথচ নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে উচ্চ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পরের দিন ভোর থেকে পুনরায় কাজ শুরু করে ইটভাটা কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়দের দাবিতে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে টনক নড়ে প্রশাসনের। তাই ইটভাটাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় তারা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শাখাওয়াত উল্লাহ বাবু স্থানীয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, আমাদের যৌক্তিক দাবি আমলে নিয়ে প্রশাসন ফিল্ডটিকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। আমরা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞ। এর ফলে এ এলাকার রাস্তাঘাট ফসলি জমি রক্ষা পাবে। দূষণমুক্ত পরিবেশ থাকবে।
রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ আমজাদ হোসেন বলেন, স্থানীয় কিছু দুষ্ট লোক আছে যারা জমি ভাড়া দিয়েছে। তাদের কারণেই মালিক পক্ষ সুযোগ পেয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে স্থিতাবস্থা রাখার জন্য বলা হয়েছে। আমরা সে ব্যবস্থা নিয়েছি।