শনিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এর আগে শুক্রবার সকালে উপজেলার বাহারছড়া ইউপির নোয়া খালী পাড়া বাঘ ঘোনা বাজারের পূর্বে ঝরনা দেখতে গিয়ে তারা অপহরণের শিকার হন।
জানা যায়, অপহরণকারীদের থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফয়জুল কবির রিয়াদ পালিয়ে আসেন। পরে স্থানীয়রা তাকে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
.png)
আহত রিয়াদ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পূর্ব রূপকানিয়া এলাকার মোস্তাক আহমদের ছেলে এবং টেকনাফ আবু হানিফ মার্কেট ইত্যাদি ইলেকট্রিক ও লাইব্রেরি দোকানের মালিক।
ফয়জুল কবির রিয়াদ বলেন, আমাদের দোকানের কর্মচারী রিদুয়ান ঝরনা দেখতে যাওয়ার কথা বলে দুই ভাইকে তাদের এলাকায় নিয়ে যায়। পরে কয়েকজন দুর্বৃত্ত পাহাড়ে এসে আমাদের অপহরণ করে। এ সময় সুযোগ পেয়ে আহত অবস্থায় আমি পালিয়ে যাই। আমার ছোট ভাই রিজওয়ান ও কর্মচারী রিদুয়ান দুজনেই অপহরণকারীদের হাতে জিম্মি। তবে এ ঘটনার সঙ্গে দোকানের কর্মচারী রিদুয়ান জড়িত বলে আমার ধারণা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইলিয়াস বলেন, তিনজনের অপহরণের খবর পেয়েছি, স্থানীয় এক যুবকের যোগসাজশে নোয়াখালী পাড়া ঝরনা দেখতে যাওয়ার কথা বলে তাদেরকে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। শুনেছি একজন রক্তাক্ত অবস্থায় অপহরণের কবল থেকে ফিরে এসেছে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. ওসমান গনি জানান, নোয়াখালী পাড়া এলাকার স্থানীয় যুবক রিদুয়ানের দাওয়াতে এসে দুই ভাইসহ তিনজনকে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে একজন ফিরে আসলেও অপর দুজনকে অপহরণ করেছে বলে শুনেছি, তাদের উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।