রোববার দুপুরের দিকে সরেজমিনে বরগুনার বরইতলা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বরইতলা-বাইনচটকি খেয়াগুলোতে কোনো রকম সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণ যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে খেয়াগুলো।
বরইতলা-বাইনচটকি (বিষখালি নদী) ইজারাদার মো. তফিক আহমেদ পারভেজ বলেন, যাত্রীদের সেবার কথা বিবেচনা করে আমরা খেয়া পারাপার চালু রেখেছি। পরিস্থিতি খারাপ দেখলে পারাপার বন্ধ করব। যাত্রীদের সুরক্ষা বিষয় জানতে চাইলে বলেন, আমাদের প্রতিটির ট্রলারে লাইভ জ্যাকেট থাকা সত্ত্বেও যাত্রীরা না পরলে আমরা কী করতে পারি। বরগুনার আমতলি-পুরাকাটা (পায়রা নদী) এবং বরইতলা-বাইনচটকি (বিষখালি নদী) একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।
.png)
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা মোহা. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, এরই মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ মোকাবিলায় বরগুনায় ৬৭৩টি আশ্রয়কেন্দ্রসহ প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বরগুনায় ৩টি মুজিব কেল্লা, ৬৭৩টি আশ্রয়কেন্দ্রসহ প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যারা ঘূর্ণিঝড় পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করবেন। এছাড়াও ৪২২ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য, ৩৭ লাখ নগদ অর্থ প্রস্তুত রয়েছে।