তিনি উপজেলার বিজরুল হাটপাড়ার মৃত ওয়ায়েজ উদ্দিনের ছেলে।
বুধবার গ্রেফতারকৃত আসামিকে বগুড়ার আদালতে প্রেরণ করে থানা পুলিশ। এর আগে, মঙ্গলবার মূর্তি পাচারে জড়িত বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেন নওগাঁ-১৬ বিজিবির হাবিলদার মো. আসাদুজ্জামান।
.png)
মামলার বিবরণে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত ২৬.৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তির মূল্য প্রায় ২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বিজরুল এলাকার একটি বসতবাড়িতে কষ্টিপাথরের মূর্তি গোপনে রেখে বিক্রির চেষ্টা চলছে, এমন তথ্য পেয়ে গত মঙ্গলবার বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল অভিযান চালায়। বাড়ির কাছাকাছি বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে একজন পালানোর চেষ্টা করেন।
আটকের পর বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে বেলাল হোসেন জানায়, ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি নিজ হেফাজতে রেখেছেন। তিনি মূর্তি পাচারে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বেলালের দেখানো শয়ন ঘরের পাশে মাটির নিচে পুঁতে রাখা বিষ্ণুমূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।